গৌরব সাহা, নরসিংদী প্রতিনিধি: আলোচিত আমেনা হত্যা মামলায় নতুন করে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মো. এবাদুল্লাহ নামে একজন স্থানীয়ভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর সক্রিয় কর্মী। তাকে মামলার এজাহারে সরাসরি ধর্ষণে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, তিনি অতীতে জামায়াত মনোনীত এক এমপি প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার মন্তব্য করা হয়নি।
এদিকে মামলার আরেক অভিযুক্ত আহাম্মদ আলী দেওয়ান স্থানীয়ভাবে ইউনিয়ন পর্যায়ের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে। অতীতে তিনি রাজনৈতিক দল পরিবর্তনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
তবে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মামলাটি সম্পূর্ণভাবে প্রাপ্ত প্রমাণ ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এগোবে। রাজনৈতিক পরিচয় নয়, অপরাধে সম্পৃক্ততার বিষয়টিই গুরুত্ব পাবে। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সবাই আইনগতভাবে অভিযুক্ত হিসেবেই বিবেচিত হবেন।
স্থানীয়দের দাবি, কোনো ধরনের আপস বা প্রভাব ছাড়াই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
লিখেছেন: মাস্টার আরিফুল ইসলাম

