গৌরব সাহা, নরসিংদী প্রতিনিধি: মাধবদীর আলোচিত কিশোরী আমেনা হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনাটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
বুধবার সকালে বাংলাদেশ পুলিশ-এর ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক এবং নরসিংদী সদর আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন পৃথকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং তদন্ত দ্রুত শেষ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলায় সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা বা প্রভাব বিস্তারের অভিযোগেও কিছু ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—আহাম্মদ আলী দেওয়ান (৬৫), মো. এবাদুল্লাহ (৪০), মো. আইয়ুব (৩০), মো. ইমরান দেওয়ান (৩২) ও গাফফার (৩৪)। এজাহার অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে তদন্ত চলমান থাকায় আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে অভিযুক্ত হিসেবেই বিবেচিত হবেন।
মামলার প্রধান আসামি নূরা এখনো পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা হবে এবং প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত চার্জশিট দাখিল ও বিচার প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জানিয়েছেন।

