মো. রাসেল কাজী, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারি ও একাধিক মামলার আসামি সোহরাব হোসেন জেল থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার অবাধ মাদক বাণিজ্যের কারণে এলাকার কিশোর ও উঠতি বয়সী তরুণরা মাদকের ভয়াল থাবায় আসক্ত হয়ে পড়ছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহরাব হোসেন কালাই উপজেলার প্রথম সারির চিহ্নিত মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি জেলহাজত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও তার পুরোনো অবৈধ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তিনি কালাই পৌরসভার হাসপাতাল গেট সংলগ্ন তালুকদারের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ভাড়া থেকে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, কালাই পৌরসভা ও আশপাশের এলাকায় তার মাদকের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হয়েছে। বিশেষ করে হাসপাতাল গেট এলাকা, কাকলি স্কুলের পিছনের গলির পুকুরপাড়, বালিকা বিদ্যালয়ের পিছন দিক, ফকিরপাড়া জঙ্গল, বৈরাগীর জঙ্গল, পূর্বপাড়া এবং কলেজপাড়া এলাকায় তার অবাধ বিচরণ দেখা যায়। এসব এলাকায় উঠতি বয়সী তরুণদের কাছে সহজেই মাদক পৌঁছে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, একজন মাদক কারবারির কারণে পুরো এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ অবস্থায় এলাকার সচেতন মহল যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও কালাই থানা পুলিশের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং চিরুনি অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি স্থানীয়দের মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এছাড়া সোহরাবের মতো চিহ্নিত মাদক কারবারিদের যেন এলাকায় কেউ ঘর ভাড়া না দেন, সে বিষয়ে বাড়ির মালিকদের সতর্ক থাকারও অনুরোধ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

