আবদুল বাসেদ নোয়াখালী: আজ ৮ মার্চ ২০২৬, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্য: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার। দিবস উপলক্ষে আমি নারীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি। বিশ্ব নারী দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়; এটি নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূরীকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। একটি দেশের টেকসই উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন নারী ও পুরুষ সমানভাবে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা জাতির অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য।
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নারীরা আজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি এবং প্রশাসনসহ বিভিন্ন খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও ত্বরান্বিত করছে। এ অগ্রযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করতে সমাজের সর্বস্তরের নারীর প্রতি সম্মান, সহযোগিতা এবং সমতার মনোভাব গড়ে তোলা প্রয়োজন।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নারী শিক্ষার প্রসার, নারীর দক্ষতা উন্নয়ন এবং নেতৃত্ব বিকাশে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে তাদের সক্রিয় অংশগ্রণ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে ২০২৫ সাল থেকে নোবিপ্রবিতে প্রথমবারের মতো বেস্ট উইমেন রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। নারী গবেষকদের উৎসাহিত করতে এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।
দিবস উপলক্ষে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ বিশ্বের সকল নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বলতে চাই, নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আমি প্রত্যাশা করি, নারীর সম্মান, অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই গড়ে উঠবে একটি সমতাভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ সমাজ।

