সাইয়্যিদুজ্জামান সাদ, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ (VGF)-এর ১০ কেজি চালের সঠিক বণ্টন এবং বরাদ্দ নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘রাজারহাট ২৪’ নামক একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি খলিলুর রহমান রুকু চালের বরাদ্দ ও বিতরণের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আগ্রহী।
স্বচ্ছতার দাবি
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারিভাবে সাধারণ মানুষের জন্য আসা এই বরাদ্দের সঠিক হিসাব এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে এর সঠিক বণ্টন হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে জামায়াত নেতা প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নে চাল বিতরণের তালিকা এবং বরাদ্দের পরিমাণ নিয়ে জনমনে যে অস্পষ্টতা রয়েছে, তা দূর করতে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অনেকে মন্তব্য করেছেন। মো. রমজান আলী নামক এক ব্যক্তি মন্তব্যের ঘরে লেখেন, “ভাই কি বলবো। আমাদের ইউনিয়ন ছিনাই একটাই।” যা থেকে স্পষ্ট হয় যে, চাল বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিটি তৃণমূল পর্যায়ে বেশ জোরালো।
প্রশাসনের ভূমিকা
উক্ত বিষয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতার পক্ষ থেকে ইউএনও-র কাছে সরাসরি বা দাপ্তরিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তবে সচেতন মহলের দাবি, সরকারি বরাদ্দ বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম যেন না ঘটে, সে ব্যাপারে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য যে, সরকার প্রতি বছর ঈদ বা বিশেষ সময়ে দুস্থদের জন্য ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দিলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে তালিকা নিয়ে নয়ছয়ের অভিযোগ পাওয়া যায়। রাজারহাটে এই উদ্যোগ দুর্নীতিমুক্ত বিতরণ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

