সিলেট মহানগরের হাউজিং এস্টেট এলাকায় দিনদুপুরে সংঘটিত ছিনতাইয়ের পুরো ঘটনা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিও ও স্থিরচিত্র ভাইরাল হলেও ঘটনার তিনদিন পেরিয়ে গেলেও ছিনতাইকারীদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ২৪ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দুপুরে। ভুক্তভোগী কর পরিদর্শক ইয়াসমিন আক্তার অফিস শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাসায় ফিরছিলেন। এসময় তিনটি মোটরসাইকেলে করে আসা ছয়জন যুবক হাউজিং এস্টেটের ভেতরের সড়কে অটোরিকশার গতিরোধ করে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একজন মোটরসাইকেল থেকে নেমে অটোরিকশার ভেতরে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ধরে টানাটানি শুরু করে। কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির পর ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। এসময় অটোরিকশা থেকে নেমে ভুক্তভোগীকে চিৎকার করতে দেখা যায়।
ভুক্তভোগী এ ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানা-এ একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, ছিনতাইকারীরা পিস্তল ঠেকিয়ে তার ব্যাগ নিয়ে যায়। ব্যাগে আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা, স্বাক্ষর করা চেক বইয়ের কয়েকটি পাতা ছিল। তবে আইফোন ও এটিএম কার্ড কাছাকাছি জান্নাত রেস্টুরেন্ট-এর সামনে ফেলে রেখে যায় তারা।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মো. মোবাশ্বির বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এদিকে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সিলেটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। প্রযুক্তিগত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

