5169
Loading ...

জকসুতে ভাঙনের সুর, এক প্যাডে দুই রূপ

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) প্যাড ব্যবহার করে পাল্টাপাল্টি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেছে দুই পক্ষ। পৃথক দুটি বিবৃতিতে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য আসায় জকসুর ভেতরে ভাঙনের সুর স্পষ্ট হয়েছে।

একটি বিবৃতিতে শিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে বিজয়ী সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মো. মাসুদ রানা জকসুর প্যাডে সই করে দাবি করেন, জকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ ও শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদককে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল দুপুর ১টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কক্ষে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে জকসুর জিএস ও শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার এবং হামলা বন্ধ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু গণমাধ্যমে তাদের নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে যে দাবি করা হয়েছে তা সঠিক নয়। যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন সংবাদ প্রকাশ করা দুঃখজনক বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে ভুল তথ্য সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়।

অন্যদিকে শনিবার (৭ মার্চ) জকসুর প্যাডে প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবাদলিপিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে এর নিন্দা জানানো হয়।

এই বিবৃতিতে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে বিজয়ী জকসুর পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক মো. রিয়াসাল (রাকিব), পরিবহণ সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মো. তাকরিম মিয়া (তাকরিম আহমেদ) এবং নির্বাহী সদস্য মো. সাদমান আমিন (সাদমান সাম্য) সই করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৫ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি ভবনে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বরাতে দাবি করা হয়, সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা আধিপত্য বজায় রাখতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। এতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত একাধিক সাংবাদিক আহত হন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে শিবিরের নেতারা মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দিয়ে জকসুর নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর বিবৃতি দিচ্ছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *