গৌরব সাহা,নরসিংদী প্রতিনিধিঃ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া ওবায়দুল্লাহ ওরফে বাদলের ছয় খণ্ড মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ–এর মর্গ থেকে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
স্বজনরা জানান, মরদেহের একটি খণ্ড, বুকের অংশ, এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মরদেহের অবস্থা বিবেচনায় ওই অংশ ছাড়াই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর মরদেহ সাত টুকরা করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। শুক্রবার ও শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টন, গুলিস্তান ও কমলাপুর এলাকা থেকে কাটা দুটি হাত, দুটি পা ও মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। আঙুলের ছাপের মাধ্যমে এসব খণ্ডিত অংশের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
এ ঘটনায় শাহিন নামের এক রুমমেটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়।
ওবায়দুল্লাহ (৩০) নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের তাতারকান্দি গ্রামের কৃষক হামিদ মিয়ার ছেলে। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন বড়। এলাকায় তিনি বাদল নামে পরিচিত ছিলেন।
সকালে মরদেহ নিতে মর্গে যান বাবা হামিদ মিয়া, চাচা মজিবর রহমান ও ছোট ভাই জলিল মিয়া। ময়নাতদন্ত শেষে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়িতে করে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে মরদেহ নিয়ে বাড়ির পথে রওনা দেন তারা।
নিহতের চাচা মজিবর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ছয় খণ্ড মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তারা। বুকের অংশ এখনো উদ্ধার হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, সেটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বাদ মাগরিব বাড়িসংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে।

