5169
Loading ...

তাড়াইলে বেরিবাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

রুহুল আমিন,তাড়াইল কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে বেরিবাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কৃষক ও জনসাধারণের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে অসহায় ভুক্তভোগী বৌয়ালিয়া-চাতল কৃষকবৃন্দ ব্যনারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, বেরিবাঁধ নির্মাণের নামে কৃষকদের জমি অধিগ্রহণ করেনি সরকার, প্রকৃত মালিকদের যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি এবং ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়নি। তারা আরও বলেন, এভাবে নির্মাণ কার্যক্রম এগোলে কৃষকদের স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিপন্ন হবে।

মানববন্ধনের নেতৃত্ব দেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবির তাড়াইল উপজেলা শাখার সভাপতি নাঈম ভূঁইয়া, তাইজুল ইসলাম রিন্টু, মাওলানা হাবিবুর রহমান, হাছলা গ্রামের ভূক্তভোগী কৃষক বুরুজ মিয়া, বাচ্চু মিয়া, সুলতান উদ্দিন ভূইয়া, শাহাব উদ্দিন প্রমূখ।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন করেন। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—
জমি আমার, আমাকে না জানিয়ে কেন বেরিবাঁধ? “বেরিবাঁধ নামে কৃষকের সর্বনাশ করা হচ্ছে” উল্লেখ্য, ক্ষতিগ্রস্ত দামিহা মৌজার জমির মালিকগণ জেলা প্রশাসক, কিশোরগঞ্জ বরাবরে একটি দরখাস্ত দাখিল করেছেন। তারা দরখাস্তে উল্লেখ করেছেন, যদি জোরপূর্বক বেরিবাঁধ নির্মাণ করা হয়, তাহলে হাছলা, নগরকূল, বেলংকা, বোরগাঁও ও গজারিয়া গ্রামের ৭০-৮০টি পরিবার প্রায় ২০০-২৫০ একর জমি জলাশয়ে পরিণত হবে এবং আনুমানিক ২২ হাজার থেকে ২৫ হাজার মন ধানের ক্ষতি হবে। দরখাস্তে তারা বিনীতভাবে জোরপূর্বক বেরিবাঁধ নির্মাণ কাজ ততক্ষণাৎ স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বক্তারা আরও বলেন, জমি অধিগ্রহণের আগে সঠিক তদন্ত, মালিকদের অবহিতকরণ এবং ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা আবশ্যক। সমাবেশে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *