গৌরব সাহা, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধিঃ নরসিংদীতে আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতাকে ঘিরে সাম্প্রতিক জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যুক্স রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কর্মীদের একাংশের দাবি, এ অঞ্চলের আন্দোলন-পরিবেশ পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে। এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় রয়েছেন খায়রুল কবির খোকন—যিনি নরসিংদীতে সংগঠিত কর্মসূচিগুলোতে সক্রিয় ভূমিকার জন্য পরিচিত।
নরসিংদীর বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালিত হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময়কার সংগঠিত অবস্থান ও জনসম্পৃক্ততা জেলা রাজনীতিকে এক নতুন সমীকরণে নিয়ে যায়। সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয়ের পর এলাকায় প্রত্যাশা তৈরি হয়—মন্ত্রিসভায় নরসিংদীর প্রতিনিধিত্ব জোরদার হবে।
তবে শপথ নেওয়া পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় খায়রুল কবির খোকনের নাম না থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অনেক সমর্থক ‘আলহামদুলিল্লাহ, খোকন সাহেবকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই’—এমন মন্তব্য করেন। চায়ের দোকান থেকে পাড়া-মহল্লার আড্ডায়ও বিষয়টি আলোচনায় আসে বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্ত্রিসভা গঠন প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক এখতিয়ার এবং সেখানে দলীয় ভারসাম্য, অভিজ্ঞতা, আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বসহ নানা বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। ফলে কারও নাম তালিকায় না থাকা মানেই রাজনৈতিক গুরুত্ব কমে যাওয়া নয়—এমন মতও রয়েছে বিশ্লেষকদের একাংশের।
এদিকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, পদ-পদবির বাইরে থেকেও সাংগঠনিক শক্তি ও জনসম্পৃক্ততা ধরে রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের আশা, ভবিষ্যতে দায়িত্ব বণ্টনে নরসিংদীর প্রত্যাশা প্রতিফলিত হবে।
সব মিলিয়ে, নরসিংদীর রাজনীতিতে খায়রুল কবির খোকনকে ঘিরে যে আবেগ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তা এখনো আলোচনার কেন্দ্রে। সময়ই বলবে, এই প্রত্যাশার রাজনৈতিক পরিণতি কোন দিকে

