5169
Loading ...

নড়াইল-যশোর মহাসড়ক: মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হচ্ছে প্রাণহানির সড়ক

মোঃ নুরুল্লাহ (অভয়নগর, যশোর) প্রতিনিধি :

 নড়াইল-যশোর মহাসড়ক এখন ভয়ংকর দুর্ঘটনার জন্য পরিচিত। চলতি আড়াই বছরে এখানে অন্তত ৪২ জন নিহত ও ১৪২ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সংকীর্ণ সড়ক, নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহনের গতি এবং অযান্ত্রিক যানবাহনের উপস্থিতি প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে।পদ্মা-মধুমতি সেতু চালুর পর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্তত ১০ জেলার পণ্যবাহী যানবাহন ও দূরপাল্লার বাস এই সড়ক ব্যবহার করছে। প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার যানবাহন মধুমতি সেতু পার হয় এই মহাসড়ক দিয়ে, সঙ্গে শহরমুখি ছোট-বড় প্রায় ১০ হাজার যানবাহন যুক্ত হচ্ছে। ফলে বাস, ট্রাক, অটো, ইজিবাইক ও সিএনজি-এর সংঘর্ষ-ঝুঁকি প্রতিদিনই বাড়ছে।গত কয়েক মাসে সড়কে একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে। ১৫ সেপ্টেম্বর নড়াইলে বাঁশবোঝাই ট্রকের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। ১০ অক্টোবর একই সড়কে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ৭৪টি দুর্ঘটনায় ৪২ জন নিহত ও ১৪২ জন আহত হয়েছেন।সড়ক ব্যবহারকারীরা দাবি করেন, মহাসড়ক প্রশস্ত করা ও অযান্ত্রিক যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ না করা হলে মৃত্যুর মিছিল অব্যাহত থাকবে। সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহাসড়ককে এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে এবং আগামী দুই বছরের মধ্যে কাজ শুরু হওয়ার আশা করা হচ্ছে।নড়াইল-যশোর মহাসড়কের মোট দৈর্ঘ্য ৫৫ কিলোমিটার। নড়াইল অংশের ৩০ কিলোমিটার সড়ক ২০২৩ সালে উন্নীত করা হয়েছে এবং ১৮ ফুট থেকে ২৪ ফুট প্রশস্ত করা হয়েছে। তবে যানচাপ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *