কোয়ারেন্টাইনে দেয়া হলো তাস, সাথে ওয়াই–ফাই সংযোগ



কোয়ারেন্টাইনে ঘরবন্দি থেকে ঘাম ঝরাচ্ছেন হলিউড-বলিউড তারকারা। মন দিয়েছেন শরীরচর্চায়। আর সেই দৃশ্য পোস্ট হচ্ছে সোশ্যাল সাইটে। ঠিক একইভাবে ভারতে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে প্রশাসনের ‘নজরবন্দি’ থাকা মানুষজনের একাকিত্ব ঘোচাতে শরীরচর্চার পাঠ দিচ্ছে পুলিশ। প্রতিদিনকার শরীরচর্চার সেই ছবি হোয়াটসঅ্যাপে পোস্ট করে ১৪ দিন এভাবেই কাটানোর বার্তা দিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন।

তবে শুধু শরীরচর্চা নয়। কোয়ারেন্টাইনে প্রশাসনের ‘নজরবন্দি’ থাকা মানুষজন যাতে কোনভাবেই সমাজের আর পাঁচজনের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন না মনে করেন, তাই তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে প্লে-কার্ডস। এছাড়া এই প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ওয়াই–ফাই সংযোগও।

পুরুলিয়ার জেলাশাসক রাহুল মজুমদার বলেন, পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের লক্ষ্য ১৪ দিন ধরে কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষজনের যাতে কোনও মানসিক সমস্যা না হয় তাই বিভিন্ন কোয়ারেন্টাইন স্থলকে সেখানে থাকা মানুষজনের ‘দ্বিতীয় ঘর’ হিসাবে তুলে ধরছে জেলা প্রশাসন।

জেলাশাসক আরও বলেন, “করোনামুক্ত পুরুলিয়া গড়া আমাদের লক্ষ্য। তাই কোয়ারেন্টাইনে থাকা মানুষজনকে নজরবন্দি করা হলেও, তাঁরা যাতে একাকিত্বে না ভোগেন, তাঁদের যাতে কখনও না মনে হয় যে সামাজিকভাবে আলাদা করে দেয়া হয়েছে, তাই আমাদের নানান প্রয়াস।”

সংবাদ প্রতিদিনের এক খবরে বলা হয়, কোয়ারেন্টাইনে বড়দের পাশাপাশি ছোটদের মন ভালো রাখতে পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনও অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের ভাবী নাগরিকদের মধ্যে থাকা প্রতিভাকে খুঁজে বের করতে তারা অণুগল্প লিখন, আঁকা কিংবা হাতের কাজের ভিডিও কমিশনের দপ্তরে পাঠানোর কথা বলেছে। ১৫ এপ্রিলের মধ্যে সেসব পাঠাতে হবে কমিশনের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর কিংবা ই-মেইলে। শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনের ওয়েবসাইটে তা প্রকাশিত হবে।