ইতালিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৩ হাজার ছাড়াল



প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটিতে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আট লাখেরও বেশি মানুষ। এছাড়াও  সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ হাজার ৭২৯ জন।

এ ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪০,৭৩৫ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ২৮ হাজার ৩১০ জন। এছাড় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫৪ জন।

মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩০০০, তবুও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দাবি ট্রাম্পের

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে ৩ হাজার ১৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫৯ জন। পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছে দেশটিতে। কিন্তু এর মধ্যেও সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে এবং ভাইরাসটি যদি তার সবচেয়ে ভয়াবহ রূপটিও ধারণ করে, তবুও সবকিছু ঠিক থাকবে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ৫০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা এটি।

তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, পরিস্থিতি যতই সংকটাপন্ন হোক না কেন করোনার চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় উপকরনাদির কোনো অভাব হবে না। এমনকি প্রয়োজনে তা অন্যান্য দেশে রফতানিও করা যাবে।

হোয়াইট হাউসে করোনাভাইরাস টাস্কফোর্সের ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘এখন আমাদের দেশের অন্তত ১০টি প্রতিষ্ঠান ভেন্টিলেটর বানাচ্ছে এবং আমরা এভাবে এগিয়ে যেতে বলেছি। কারণ, সত্যিকার অর্থে অন্য কোনো দেশ আর এটা পারবে না।

করোনা শ্বাসযন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং ফুসফুসে আঘাত করে। ভেন্টিলেটর রোগীদের শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সহায়তা করে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত মানুষের হার চরমে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তা–ই যদি হয়, আক্রান্ত ব্যক্তিদের সবাই ভেন্টিলেটর পাবেন কি না, এ ব্যাপারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ধারণা করি, সে সময় আমরা খুবই ভালো অবস্থানে থাকব।’ সপ্তাহ দুয়েকের মাথায় সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১০ লাখেরও বেশি মানুষকে পরীক্ষা করা হয়েছে, যেকোনো দেশের চেয়ে এই সংখ্যা বেশি। অন্য কোনো দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারেকাছেও নেই।

এ সময় এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে জানান যে, জনসংখ্যা বিবেচনায় দক্ষিণ কোরিয়ায় এই হার আরো বেশি। তবে এ কথায় সেই সাংবাদিকের ওপর চটে যান ট্রাম্প। তিনি বলেন, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে তার প্রশাসনের যে অগ্রগতি, এ জন্য তিনি অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য।

ট্রাম্প আরো বলেন, ‘আগামী ৩০ দিন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক দূরত্ব বজা