Breaking News

‘আ. লীগ-যুবলীগ মারা গেলে হেফাজতিদের জানাজা পড়ানোর দরকার নেই’

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দিবে না যুবলীগ বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

সোমবার (১২ এপ্রিল) করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশব্যাপী যুবলীগের ফ্রি মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি হেফাজত নেতা মামুনুলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ মারা গেলে হেফাজতিরা জানাজা দিবে না, তাদের জানাজার দরকার নেই। আমাদের জানাজা পড়ানোর জন্য অনেক আলেম আছে, আল্লাহর ওলিরা আছেন। কিন্তু ভণ্ড মামুনুলরা মারা গেলে কারা জানাজা পড়ায় সেটাও আমরা দেখবো।

বক্তব্য শেষে ফার্মগেটে সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. খালেদ শওকত আলী, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হেলাল উদ্দিন, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. জহির উদ্দিন খসরু, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. ফরিদ রায়হান।

হেফাজত নেতা আজিজুল হক ইসলামাবাদী ৭ দিনের রিমান্ডে
কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগ তাকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে ৭ দিন মঞ্জুর করেন বিচারক।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার আতিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে একথা জানিয়েছেন।

গতকাল রোববার (১১ এপ্রিল) রাতে হাটহাজারী থেকে হেফাজতে নেতা আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তাকে ঢাকা নিয়ে আসা হয়।

২০১০ সালে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে আজিজুল হক ইসলামাবাদী সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এক সময় তিনি হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা আহমদ শফির ঘনিষ্ঠ হলেও বর্তমানে জুনায়েদ বাবুনগরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।