Breaking News

১৪-২১ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। করোনা প্রতিরোধে কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৩ দফা নির্দেশনাও দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস ও সকল প্রকার পরিবহণ বন্ধ থাকবে। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না।

এদিকে, খাবার দোকান দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত খাদ্য বিক্রয় বা সরবরাহ করা যাবে। তবে শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাঁচাবাজারের দোকান সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে।

সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

করোনার ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে ১৪ এপ্রিল (বুধবার) থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ সময় বন্ধ থাকবে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।সোমবার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জরুরি সেবা ছাড়া, সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে শিল্প কলকারখানা। ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।

এর আগে গত শুক্রবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে সময় সংবাদকে টেলিফোনে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, করোনা ঠেকাতে গত ২৯ মার্চ থেকেই মানুষকে সতর্ক করা হচ্ছে। ৪ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমেও জনমত তৈরি, মাস্ক পরা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ নানা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে যেভাবে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঘটছে, কঠোর লকডাউনের মাধ্যমেই এটি ঠেকাতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কঠোর এই লকডাউনের সময় জরুরি সেবা ছাড়া সকল অফিস-আদালত-কলকারখানা সবকিছু বন্ধ রাখতে হবে।

দোকানপাট খোলা রাখার ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের আন্দোলন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের জন্য মার্কেট খোলা রাখা হয়েছে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপরই এক সপ্তাহ কড়া লকডাউন প্রয়োজন। কড়া লকডাউন না হলে করোনার বিস্তার ও মৃত্যুর সংখ্যা ঠেকানো যাবে না।

সংক্রমিত মানুষের সংস্পর্শে এলে করোনা ছড়াবেই জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর ফলে এখন কঠোর লকডাউনের কোন বিকল্প নেই বলে জানান তিনি। কঠোর লকডাউনের মাধ্যমে করোনা সংক্রমন কমানো সম্ভব বলে জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।