Breaking News

বিবাহবিচ্ছেদ কেন হয়েছে জেনে কি করবেন: শবনম ফারিয়া



মিডিয়া পাড়ার বেশ আলোচিত ও জনপ্রিয় মুখ শবনম ফারিয়া। শোবিজে তিনি ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন মডেলিং দিয়ে। এরপর থেকে তাকে দেখা যায় ছোট পর্দায়। সেখানে তিনি কাজ করছেন দাঁপিয়ে। এছাড়াও বড় পর্দাতে অভিষেক হয়েছে তার।
দুই পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী ২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে হারুন অর রশীদ অপুর সঙ্গে পরিচিত হন। এরপর দুজনের মাঝে গড়ে বন্ধুত্ব। বন্ধুত্বের সীমানা পেরিয়ে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আংটি বদল করেন তারা। ২০১৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ফারিয়া-অপু।

দুই বছর না পেরুতেই ফারিয়া-অপুর সংসারে ভাঙনের সুর বেজে ওঠে। সর্বশেষ গত বছরের ২৭ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে তাদের।

গত শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুকে লম্বা একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন শবনম ফারিয়া। স্ট্যাটাসে নেটিজেনদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। অভিনেত্রীর দেয়া স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

অপুর কমেন্ট সেকশনে মানুষের কমেন্ট পড়ে আমি নির্বাক তাকিয়ে থাকি! অপুর প্রতি মন থেকে আমার কৃতজ্ঞতা তার এই সহনশীলতার জন্য! তার এই ধৈর্যের জন্য তার প্রতি আমার সম্মান অনেক অংশে বেড়ে গেল।

ভাই, আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ কেন হয়েছে আপনি জেনে কি করবেন? আমরা যদি আলাদা হয়ে ভালো থাকি, আপনার কি কোনো সমস্যা হচ্ছে? নাকি গিফট পাঠাবেন কোনো? আর যদি খারাপও থাকি আপনি কি আজকে রাতে না খেয়ে থাকবেন? আমি পাবলিক ফিগার তাই আপনারা অনেকেই ভেবে নেন, আমাকে যা খুশি বলা যাবে! ফাইন! আমি মেনে নিয়েছি! যা তা বলেন! সব ঠিক আছে!

কিন্তু এই ছেলেটাকে কেন? কি মজা অন্যকে ছোট করে? কেন একটা মানুষ যে বিবাহ বিচ্ছেদের মতো একটা বিষয়ের মধ্য দিয়ে গেছে ৩ মাসও হয়নি তাকে অপ্রয়োজনীয় কমেন্টস করে হ্যারাস করা? এটা কেমন ধরনের ফান?

অন্যের কষ্ট দেখে একটা মানুষের কীভাবে আনন্দ লাগতে পারে! এইটা তো অসুস্থতা! দেশে এত অসুস্থ মানুষ! বিশ্বাস করেন, বিবাহবিচ্ছেদের চেয়ে কষ্টের কিছু একটা মানুষের জীবনে ঘটতে পারে না! প্রিয় মানুষের মৃত্যু অনেক কষ্টের কিন্তু জীবিত প্রিয় মানুষের সঙ্গে বিচ্ছেদ কত কষ্টের, যে তার মধ্য দিয়ে না যায় সে বুঝবে না!

দয়া করে এবার ক্ষমা করেন। আমরা আলাদা হয়ে ভালো আছি, আমাদের ভালো থাকতে দেন। আমাদের নিয়ে আপনাদের চিন্তিত হতে হবে না! চিন্তিত হবার জন্যে আমাদের পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং বন্ধুবান্ধব আছে। আপনারা নিজের চরিত্র, পরিবার এবং সংসারের দিকে মন দেন। যাতে আপনাদের সংসার টিকে যায়! আপনারা সম্ভবত নিজেদের জীবনেও সুখী না, তাই অন্যের কষ্টে এত আনন্দ হয়।