Breaking News

মসজিদের স্থানে মন্দির নির্মাণ, ধ্বসে পড়েছে ১২ টি পিলার



তদন্ত করে ইন্জিনিয়ারগন রিপোর্ট দিয়েছে এই মাটিতে পাইলিং করে পিলার বসানো সম্ভব নয়। কারন কি? কারন অজানা। পাহাড়ি উচু যমীনে নির্বিঘ্নে হাল্কা পাইলিংএ কয়েক তলা প্রসাদ করা সম্ভব। অথচ বাবরি মসজিদের স্থলে ওরা কয়েক বার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছে।

অযোধ্যায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ শহীদ করে রামমন্দির নির্মাণের কাজে ফের বাধা পড়েছে। এতদিন আইনি জটিলতায় রামমন্দির নির্মাণ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। গত বছর ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের বিতর্কিত নির্দেশের পর রামমন্দির নির্মাণে বাহ্যিকভাবে বাধা ছিল না।

গত ৫ আগস্ট ঘটা করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেছেন। কিন্তু এবার কুদরতি বাধার সম্মুখীন রামমন্দিরের নির্মাণ। ফলে একপ্রকার মাথায় হাত দিয়ে বসেছে রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়েছে, মাটি পরীক্ষার পর দেখা গেছে, মন্দিরের ভর ধরে রাখার মতো ক্ষমতা নেই নির্মীয়মাণ কাঠামোর।

যার জেরে সমস্যায় মন্দির নির্মাণের কাজ। ফলে বিকল্প উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছে ট্রাস্ট। আইআইটি, এনআইটি, সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (রুরকি), এবং লারসেন অ্যান্ড টিউব্রোর মতো সংস্থার প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মন্দিরের প্রস্তাবিত গর্ভগৃহের পশ্চিম দিকে পানির তোড়ে বেলেমাটি ধসে যাওয়ার দরুন সমস্যার সম্মুখীন।

গোটা স্থাপত্যের যে নকশা লারসেন অ্যান্ড টিউব্রো জমা দিয়েছে, তাতে দেখা গেছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ২০-৪০ মিটার গভীরে ১২০০ কংক্রিট পিলার বসানো হবে। ট্রাস্টের সচিব জানিয়েছেন, বেশ কয়েকটি পিলার ভূপৃষ্ঠ থেকে ১২৫ ফুট নিচে বসিয়ে তার ২৮ দিন পর পরীক্ষা করা হয়েছিল।

সেই স্তম্ভগুলোর উপর ৭০০ টন ভর চাপিয়ে পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু আশাতীত ফল পাওয়া যায়নি। মেশিনে যে রিডিং পাওয়া যায় সেটা আশা করা হয়নি। বস্তুত, গর্ভগৃহের পশ্চিম দিকে সরযু নদী বয়ে চলেছে। যেখানে পিলারগুলো বসানো হয়েছে তার পাশেই নদীর পানি এবং বেলেমাটি রয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ারদের মতে, নরম বালি স্থাপত্যের ভর ধরে রাখতে পারবে না। তাই বিশেষজ্ঞরা চিন্তাভাবনা করছেন কীভাবে মন্দিরের গর্ভগৃহের কাছে নদীর পানিকে আটকে রাখা যায়। কীভাবে বালির উপর স্থাপত্য তৈরি করা যায় এবং কংক্রিট পিলারের আয়ু বাড়ানো যায়।