সকালে লটারির টিকিট কেটে রাতে কোটিপতি আরামবাগের পানওয়ালা



আরামবাগে ছোট্ট একটি দোকান তার। কাপড়ের খুচরা দোকান দিয়েই পেট চলে তার। এছাড়া দোকানের সামনে একটি ছোট্ট বক্স বসিয়ে পান, সিগারেট বিক্রি করে রোজগার বাড়িয়ে নেন। কিন্তু বড়দিনের আগেই যে তার ভাগ্য খুলে যাবে কে জানতো!
বৃহস্পতিবার সকালে লটারির টিকিট কেনেন উত্তম মাইতি। সন্ধ্যায় টিকিট মেলাতে গিয়ে চমকে যান তিনি। তার ওই টিকিটই এনে দিয়েছে তাকে কোটি টাকার পুরস্কার।

কথায় আছে ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখতে নেই। কিন্তু স্বপ্ন যদি হয় কোটি টাকার তাহলে বোধহয় দেখতে নেই মানা। ছোট থেকেই অভাবের সঙ্গে লড়াই শুরু করে পার করেছেন অর্ধশত বছর। আগে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। শারীরিক অসুস্থতার জন্য সেই কাজ ছেড়ে দোকানটি দিয়েছেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আরামবাগের মনসাতলায় দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে উত্তমের অভাবের সংসার। অভাবের সংসারে খরচ তার স্ত্রী কৃষ্ণ মাইতিকেও সেলাই মেশিনের কাজ করতে হয়। দুই ছেলেও কাজ করেন অন্যের দোকানে।

স্বাভাবিকভাবেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান উত্তম। পাশাপাশি এত টাকা জিতে আতংকে আছেন তিনি। কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। এত টাকা নিয়ে এখন কী করবেন, বুঝেই উঠতে পারছেন না‌ উত্তম!