তথ্য গোপন রেখে মহামারি ঠেকানো যায় না: সাকি



করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ঘরে থাকার নির্দেশনা মানছেন রাজনৈতিক নেতারাও। দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক নানা কর্মকাণ্ডে নিজেদের যুক্ত রাখছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

কোভিড-১৯ প্রকোপ এড়াতে হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলতে সাধারণ মানুষের প্রতিও আহ্বান ছিল তাদের। এছাড়া এমন দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তাদের।

আর দশটা মানুষের মতোই গৃহবন্দী তারাও। মনে উঁকি দিচ্ছে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রামে কারা বন্দিত্বের অভিজ্ঞতা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আমাদের জেলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে। সবাইকেই সামাজিক দূরুত্ব মেনে চলতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে।

ঘরে থাকা ক্ষমতাসীন দলের নেতারা নানাভাবে সহায়তা করছেন অসহায় ও স্বল্প আয়ের মানুষকে। রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় করোনা মোকাবিলার আহ্বান তাদেরও।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার সময় ও সুযোগ সবসময় আসে না। সারাবিশ্ব এক হয়েছে। এটা কোনো রাজনীতির বিষয় নয়। সকলকেই এখন মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

এদিকে বাম রাজনৈতিক দলগুলোও রয়েছে সাধারণ মানুষের পাশে। ঘরে থেকেও মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন তারা। করোনা প্রাদুর্ভাবের সব তথ্য সঠিকভাবে জানানোর আহ্বান তাদের।

গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি বলেন, তথ্য গোপন করে মহামারি ঠেকানো যায় না। ধামাচাপাও দেয়া যায় না। তথ্য প্রকাশ করে মানুষকে আস্থায় আনতে হবে। বেশি বেশি পরীক্ষা করতে হবে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধের পরামর্শ দিলেন তারা।