বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র



দুই দেশের জনগণ এবং অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক বাড়ানোর জন্য সই হওয়া ভারত ও বাংলাদেশের চুক্তিগুলোর প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
স্থানীয় সময় শুক্রবার এক টুইট বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর এ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে।

টুইট বার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানায়, ভারত-বাংলাদেশের আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি হওয়ার ফলে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান বাড়বে। এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণের মতো আন্তঃসীমান্ত বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।

এসময় দুই দেশের জনগণ ও অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের স্বাক্ষরিত চুক্তিকে স্বাগত জানায় তারা।

গত বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনে যুক্ত হন। এসময় তারা চিলাহাটি-হলদিবাড়ী রেলপথ যৌথভাবে উদ্বোধন করেন। এই রেলপথ উদ্বোধনের মাধ্যমে দুটি প্রতিবেশী দেশ সংযুক্ত হলো।

এ সময় এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নের সব দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছে। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতেও মতবিনিময় করেছে তারা।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সন্ত্রাসবাদে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সুরক্ষার জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। উভয় দেশই সন্ত্রাসবাদকে প্রকাশ্যে নির্মূল করার জন্য তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এ সময় উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের অংশীদারির ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা এবং অন্যান্য বন্ধনের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান অবস্থানে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

তারা জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক। সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সাম্যতা, আস্থা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বে বাংলাদেশ-ভারত একসঙ্গে কাজ করছে এবং করবে।

যৌথ বিবৃতি অনুসারে উভয় নেতা হাইড্রোকার্বন সেক্টরে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্বাক্ষরকে স্বাগত জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ এবং হাইড্রোকার্বন সংযোগের প্রচারে গতি আসবে।