প্রেমের টানে ঘর ছেড়েছিল বেয়াই-বেয়ান, সংসার বাঁধার স্বপ্ন পূরণ হল না



এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : প্রেমের টানে ঘর ছেড়েছিল বেয়াই-বেয়ান। তবে বিয়ের আগেই জানাজানি হয়ে যায় গোটা বিষয়। ফলে সংসার বাঁধার স্বপ্ন পূরণ হল না তাঁদের। বরং ঠাঁই হল থানায়। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার। মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার বেনিয়াগ্রামের বাসিন্দা আলম শেখ।

মাসতিনেক আগে খু্ন্তিপাড়া এলাকার সালমা বিবির নাবালিকা মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় আলম শেখের নাবালক পুত্রের। কর্মসূত্রে সেই সময় দিল্লিতে ছিলেন নাবালিকার বাবা। জানা গিয়েছে, স্বামীকে না জানিয়েই মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেন সালমা। এদিকে নাবালিকা হওয়ায় বিয়ে দিলেও বউমাকে বাড়িতে নিয়ে যাননি আলম। এভাবেই চলছিল। এরই মাঝে বাড়ি ফিরে আসেন সালমার স্বামী। মেয়ের বিয়ের কথা জেনে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন তিনি।

এই নিয়ে অশান্তির মাঝেই প্রকাশ্যে আসে সালমা ও আলমের সম্পর্কের কথা। বাড়ে অশান্তির মাত্রা। এরপরই দিন চারেক আগে আচমকা উধাও হয়ে যায় সালমা ও আলম। বিভিন্ন এলাকায় চলে খোঁজাখুঁজি। বৃহস্পতিবার সামশেরগঞ্জের ধুলিয়ান পুরসভা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে মেলে ওই যুগল। খবর পেয়ে আলম শেখের স্ত্রী সন্তান-সহ পাড়া প্রতিবেশীরা হাজির হয় ঘটনাস্থলে। উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তারাই যুগলকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর আদালতে পাঠায়। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই আলমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সালমার। যোগাযোগে যাতে কোনও বাধা না থাকে, সেই কারণেই তড়িঘড়ি প্রেমিকের নাবালক ছেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিল সালমা। কিন্তু এত বুদ্ধি করেও লাভ কিছুই হল না।

স্বামী ফিরতেই ধরা পড়ে যায় সালমা। সেই কারণেই প্রেমিককে বিয়ের সিদ্ধান্ত। জানা গিয়েছে, ফরাক্কা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন আলম শেখের স্ত্রী ও পরিবার। অন্যদিকে নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্ত্রী ও তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন সালমার স্বামী। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন