যেভাবে সাকিবকে তুলোধুনো করলেন নাঈম



টানা তিন জয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা বেক্সিমকো। ঢাকার ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শুরুতে ব্যাট হাতে তুলোধুনো করলেন সাকিব আল হাসানকে। আর শেষ দিকে আকবর আলী ঝড় তুললেন নাজমুল ইসলামের ওভারে। দুই ব্যাটসম্যানই তাদের ওভারে চারটি করে ছক্কা হাঁকান। তাদের এই মারমুখী ব্যাটিংয়ের সঙ্গে সাব্বির রহমান করেছেন হাফসেঞ্চুরি। তাতে জেমকন খুলনার বিপক্ষে দলটির সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৭৯ রান।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মাশরাফি মুর্তজার প্রথম ওভারে নাঈম ও সাব্বির নেন তিন রান। পরের ওভারে সাকিব বল হাতে নেন। অভিজ্ঞতা ভালো হয়নি। তার প্রথম দুটি ও শেষ দুটি বলে ছয় মারেন নাঈম। বাঁহাতি স্পিনার দেন ২৬ রান। চতুর্থ ওভারে পঞ্চম ছক্কা মারার পর নাঈম থামেন শহীদুল ইসলামের বলে মাহমুদউল্লাহকে ক্যাচ দিয়ে। ১৭ বলে ৩৬ রান করেন তিনি।

৪১ রানে ওপেনিং জুটি বিচ্ছিন্ন হয়। পরে আল-আমিনের সঙ্গে ৬৪ রানের দারুণ এক পার্টনারশিপ গড়েন সাব্বির। ২৫ বলে ৩৬ রান করা আল-আমিনকে আউট করেন নাজমুল। ১১তম ওভারে দ্বিতীয় উইকেট যাওয়ার পর ছন্দপতন হয় ঢাকার ইনিংসে। পরের দুই ওভারে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম (৩) ও ইয়াসির আলী নিজের ভুলে একটিও বল না খেলে রান আউট হন। মুশফিকের উইকেট নেন মাশরাফি।

সাব্বিরকে সঙ্গ দিতে মাঠে নেমে ঝড় তোলেন আকবর। যুব বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ১৫তম ওভারে তৃতীয় ও শেষ বল বাদে বাকি চার বলের সবগুলো ছক্কা মারেন। পরের ওভারে হাসান মাহমুদের বলে মাশরাফির ক্যাচ হন তিনি ১৪ বলে এক চার ও চার ছয়ে ৩১ রান করে। ৩৫তম বলে বাউন্ডারিতে হাফসেঞ্চুরি করে বিদায় নেন সাব্বির। ৫ চার ও ৩ ছয়ে সাজানো ছিল তার ৫৬ রানের সেরা ইনিংস।

এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে ঢাকা নিজেদের সর্বোচ্চ রানটি করে। গত চার ডিসেম্বর রাজশাহীর বিপক্ষে ১৭৫ রান করেছিল ঢাকা। শহীদুল খুলনার পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন। একটি করে পান মাশরাফি, হাসান ও নাজমুল।

জেমকন খুলনা একাদশ

সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), শুভাগত হোম চৌধুরী, জহুরুল হক অমি, জাকির হাসান (উইকেটরক্ষক) শামীম পাটোয়ারি, আরিফুল হক, হাসান মাহমুদ, শহীদুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম অপু ও মাশরাফি বিন মুর্তজা।

বেক্সিমকো ঢাকা একাদশ

মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক, উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নাইম শেখ, আলআমিন জুনিয়র, আকবর আলী, সাব্বির রহমান, মুক্তার আলি, রুবেল হোসেন, রবিউল ইসলাম রবি, ইয়াসির আলি রাব্বি, শফিকুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ।