রেস্তোরাঁয় ইফতারি বিক্রির সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী



আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঢাকা মহানগরীর প্রতিষ্ঠিত রেস্তোরাঁগুলোতে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছে ডিএমপি। এছাড়া পাড়া মহল্লার দোকানও ২ ঘণ্টা বাড়িয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তারা জানান, ইফতারিতে ঢাকার ঐতিহ্য রক্ষা এবং ব্যাচেলরদের কথা বিবেচনা করে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে করোনা প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির সভাপতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে মহামারী করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। যার সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাজধানী ঢাকার নাগরিকরা।

যেখানে সংক্রমণ রোধে প্রতিদিন রাজধানীর সড়ক কিংবা অলিগলিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা হিমশিম খাচ্ছেন, বন্ধ করা হয়েছে সব ধরণের বড় জামায়েত সেখানে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) থেকে রাজধানীর রেস্তোরাঁগুলোতে ইফতার বিক্রির অনুমোদন দিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

তারা জানান, করোনা প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ডিএমপি উপ-কমিশন মাসুদুর রহমান বলেন, পাড়া-মহল্লার যে দোকানগুলো আছে, সেগুলো ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাজধানীতে অনেক ব্যাচেলর আছে, যাদের খাবার কিনে খেতে হয়, তাদের কথা ভেবে এটা করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠিত হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলো ইফতারি বিক্রি করতে পারবে। যা করা হয়েছে আমাদের সমন্বয়ের মাধ্যমেই হয়েছে।

সমন্বয় তো দূরে থাক জাতীয় কমিটির সভাপতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানালেন, তিনি বিষয়টির কিছুই জানেন না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এই বিষয়ে এখনও কিছু জানি না। আমি একটু জেনে নেই। সচিব বা ডিজির সঙ্গে কথা হয়েছে কিনা তা জেনে নেই।’

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরণের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বাড়াবে সংক্রমণের ঝুঁকি।

করোনা সংক্রমণ রোধে গত ২৫ মার্চ থেকে দেশের সব দোকান ও রেস্টুরেন্টসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।