যারা গরীবের ত্রাণ মেরে খায় তারা জালেম: ডিপজল



প্রা;ণঘাতি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় বিপর্যস্ত বিশ্ব। অদৃশ্য এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃ’’ত্যুর মিছিল। এখন পর্যন্ত এই রোগের কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার না

হওয়ায় সবাইকে ঘরে থাকতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। তিন বেলা খাবার যোগাড় করতে এরই মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ

শুরু করেছে অসহায় মানুষগুলো। তবে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে যাতে অভুক্ত থাকতে না হয়, সে জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা করেছে সরকার। ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করছে টিসিবি।

ত্রাণসামগ্রী চুরি করলে কঠোর হাতে দমন করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কঠোর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ চুরির খবর পত্রপত্রিকায় উঠে আসছে

নিয়মিত। ত্রাণ চুরি ধরা পড়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেককে বরখাস্ত করেছে সরকার।

ত্রাণ চুরির খবর পড়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। তিনি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করোনার সময় যে ত্রাণগুলো

দিচ্ছেন, তা সাধারণ মানুষের হক। যারা অসহায় মানুষের এই হক মেরে খাচ্ছে, তারা জালেম। আর জালেমদের আল্লাহ কখনোই মাফ করবেন না। পরকালে তো শাস্তি পাবেই, এই দুনিয়াতেও তারা ক্ষমা পাবে না।’

ডিপজল আরও বলেন, ‘চুরি তো সারা বছরই করে, তবে এই সময় মানুষ চুরি করবে, এটা চিন্তাও করা যায় না। এখন মানুষ এত বিপদে আছে, যারা কোনোদিন চিন্তাও করেনি

মানুষের কাছে হাত পেতে খেতে হবে, তারাও আজ সাহায্যের জন্য অপেক্ষায় থাকে। কারো কাছে চাইতে লজ্জা পায়। মাথা নিচু করে কোনোমতে ত্রাণ নিয়ে চলে যায়।’

‘আরেকটা শ্রেণি আছে যারা দিনমজুরি করে, তাদের তো হাতে টাকা থাকার কথা না। কোথাও কোনো কাজ নাই, কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। কেউ নিজের

বাসাবাড়িতে কাজের বুয়া পর্যন্ত রাখছে না। আর ত্রাণগুলো যদি মানুষ না পায়, তবে তো মানুষ না খেয়ে মরবে বলে মন্তব্য করেন ডিপজল।

ডিপজল বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ত্রাণ সাধারণ মানুষের জন্য দিয়েছেন, তা সহিসালামতে মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া উচিত। সামর্থ্য থাকলে বরং নিজের হাত

থেকে আরো কিছু বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। এটা করলে নিজেকে সে মানুষ হিসেবে দাবি করতে পারবে। যে চুরি করছে, সে মানুষ না।’ গত বুধবার ৫০০ শিল্পী ও কলাকুশলীর

জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠিয়েছেন ডিপজল। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির মাধ্যমে সেসব এফডিসির বিভিন্ন সমিতিতে পাঠানো হয়।