গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে গলা কেটে হত্যা



শ্রীপুর থা’নার এসআই এখলাস ফরাজী জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জৈনাবাজার এলাকায় ঘরের ভেতর চার জনের লা’শ পাওয়া যায়। নিহ’তরা হলেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থা’নার লংগাইর ইউনিয়নের মালয়েশিয়া প্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রী (৪০), তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। মেয়েদের বয়স ১৪ ও ১১ বছর এবং প্রতিব’ন্ধী ছেলের বয়স ছিল ৬ বছর।

এখলাস ফরাজী বলেন, “চারজনের সবাই ছিল বি’ব স্ত্র। প্রাথমিক আলমত দেখে মনে হচ্ছে মা-মেয়েকে ধ র্ষণ করে সবাইকে জবাই করে হ’ত্যা করা হয়েছে।”

ওই প্রবাসীর ছোট ভাই সাংবাদিকদের জানান, তার বড় ভাই দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় থাকেন। জৈনাবাজার এলাকায় জমি কিনে বাড়ি করে তারা বসবাস করে আসছিলেন।

কে বা কারা এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা দিতে পারে ওই প্রবাসীর ছোট ভাই। এসআই এখলাস বলেন, এখনও অনেক কিছুই স্পষ্ট নয়। ত’দন্তে হয়ত এসব প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে আসবে।

দোতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় তারা থাকতেন; ওই ঘরের একটি কক্ষে তাদের লা’শ পাওয়া যায় বলে পু’লি’শ জানিয়েছে।
এখলাস ফরাজী বলেন, “চারজনের সবাই ছিল বি’ব স্ত্র। প্রাথমিক আলমত দেখে মনে হচ্ছে মা-মেয়েকে ধ র্ষণ করে সবাইকে জবাই করে হ’ত্যা করা হয়েছে।”

এখনও অনেক কিছুই স্পষ্ট নয়; ত’দ’ন্তে হয়ত এসব প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে আসবে, বলেন তিনি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ, গাজীপুরের পু’লি’শ সুপার শামসুন্নাহার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

প্রবাসীর এক ভাতিজা জানান, তার চাচা ১৬ বছর মালয়েশিয়ায় থেকে দেশে ফিরে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেন। আসার সময় ইন্দোনেশিয়ার নাগরিককে বিয়ে করে আনেন। দেশে এসে ব্যবসায় সুবিধা করতে না পেরে ছয় বছর আগে আবার তিনি মালয়েশিয়া চলে যান। এর মধ্যে দেশে যাওয়া-আসা করতেন।

তবে কারও সঙ্গে তার চাচার কোনো বিরোধ ছিল না বলে তিনি জানান। প্রবাসীর ছোট ভাই সাংবাদিকদের জানান, তাদের পৈতৃক বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গোলবাড়ি গ্রামে। ভাইয়ের বাসার পাশের বাসায় তিনি থাকেন। বুধবার সন্ধ্যায় ভাবি তাকে বাজার থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাদের জন্য গরুর মাংস কিনে আনতে বলেছিলেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মাংস কিনে নিয়ে ভাবির বাড়ির প্রধান ফটকে গিয়ে ডেকে কারো সাড়া পাননি তিনি। পরে তারা ঘুমাচ্ছেন ভেবে তিনি মাংস নিয়ে নিজের বাসায় চলে যান।

“এরপর দুপুর ১২টার দিওেক ফের ডেকে সাড়া না পেয়ে স্থানীয়দের জানাই। দুপুর ৩টার দিকে প্রতিবেশী এক যুবককে মই বেয়ে দোতলায় উঠতে বলি। ওই যুবক দোতলায় উঠে তাদের বাসার পিছনের দরজা খোলা দেখেন। তিনি ঘরের মেঝেতে র’ক্তা’ক্ত ম’রদে’হ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে ঘটনাটি আমরা পু’লি’শে জানাই।”

গাজীপুরের অতিরিক্ত পু’লি’শ সুপার রাসেল শেখ বলেন, দোতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একই কক্ষে গ’লাকা’টা ম’রদে’হ দেখে তাদের স্বজন (প্রবাসীর ভাই) পু’লি’শকে খবর দেন। পু’লি’শ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ি ঘিরে রেখে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগকে খবর দেয়। “তারা না আসা পর্যন্ত আমরা ঘরে ঢুকছি না। সেখানে ওই চারজন ছাড়া আর কেউ থাকতেন না।”