Breaking News

অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।



ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বাজার মনিটরিং না থাকায় করোনা আতঙ্ক কে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্য প্রয়োজনীয় বাজার পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌর শহরের গরুহাটায়(সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে) স্থানান্তরিত অস্থায়ী বাজারে সরজমিনে লক্ষ করা যায়। বাজারে সংকট না থাকার পরও বেড়ে গেছে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, আদাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম।জানা যায়, অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ধাপে ধাপে বাড়াতে থাকে জিনিসপত্রের দাম। বিগত ১০ দিনে যে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৩২ টাকা এক সপ্তাহ পর তা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৫০ টাকা, আদা ১৬০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫০ টাকা, চালের বস্তা প্রতি ৬০০ টাকা, ৫৫ টাকা কেজির মুশুর ডাল ৯০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয় ক্রেতা আলামিনের সাথে কথা বলে জানা যায়,দেশের চলমান কোন পরিস্থিতিতে বাজারমূল্য এভাবে ঊর্ধ্বগতিতে থাকতে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর টিকে থাকা মুশকিল হয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত বাজার মনিটরিং করেনি প্রশাসন। এখনই লাগাম টেনে ধরতে না পারলে মুনাফা খোরদের যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে নিঃস্ব হবে সাধারণ মানুষ। অতি প্রয়োজনীয় এই পণ্যগুলোর দাম নিয়ন্ত্রণে এখনই পাইকারি ও খুচরা বাজারে মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

পাইকারি বাজারে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অভিযোগ করে খুচরা বিক্রেতারা বলেন, আড়তে দাম কম থাকলে আমরাও কম দামে বিক্রি করি।

উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক আবদুল কুদ্দুস বলেন, করোণা পরিস্থিতি জনিত কারণে বাজার মনিটরিং করা হয় না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে বাজার মনিটরিং করা হবে।