Breaking News

কুড়িগ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেনাবাহিনীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

দেশব্যাপী করোনা মোকাবেলায় সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন সেনাবাহিনী।

বুধবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন সাফায়েত খানের নেতৃত্বে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের নাখান্দা গ্রামে এসব বিতরণ করেন সেনাবাহিনীর একটি দল। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল আটা, তেল, লবণ, বিস্কুট ও সুজি।

ক্যাপ্টেন সাফায়েত খান জানান, করোনা মোকাবেলায় শুরু থেকে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। এ সময় প্রত্যন্ত অঞ্চলে যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছে তাদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সেনাবাহিনী। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

৩০০ ডলারে বিক্রি হবে আফগান কিশোরীদের তৈরি ভেন্টিলেটর
আফগানিস্তানে প্রায় এক হাজার মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর মারা গেছেন ৩৩ জন। বিশ্বের অনেক দেশের মত আফগানিস্তানেও করোনায় আক্রান্ত জটিল রোগীদের জন্য ভেন্টিলেটরের সংখ্যা কম। এ অবস্থায় দেশটিতে কিশোরীদের একটি দল গাড়ির যন্ত্রাংশ দিয়ে কম খরচে ভেন্টিলেটর তৈরির চেষ্টা করছেন।

আফগানিস্তানে তালেবানের দাপটে মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পান অনেক অভিভাবক। অনেক মেয়ে শিশুই স্কুলে যাওয়া শুরু করলেও মাঝপথেই নানা কারণে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। তেমন দেশে ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৫ সদস্যের একটি কিশোরী দল বানানোর চেষ্টা করছে ভেন্টিলেটর। কোভিড নাইন্টিনের কোন ওষুধ বা টিকা আবিষ্কার না হওয়ায় জটিল রোগীরা যখন শ্বাস নিতে পারে না তখন ভেন্টিলেটর ছাড়া বাঁচানোর চেষ্টার আর কোন উপায় থাকে না। করোনা মহামারিতে অন্যান্য অনেক দেশের মত আফগানিস্তানেও প্রয়োজনের তুলনায় ভেন্টিলেটরের সংখ্যা কম হওয়ায় কিশোরীদের এ দল টয়োটা করোলা মডেলের গাড়ির ইঞ্জিন ও ব্যাটারি দিয়ে কম খরচে ভেন্টিলেটর তৈরির চেষ্টা করছে।

তারা বলেন, ভেন্টিলেটর তৈরিতে কিছু জটিলতা রয়েছে। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি সফল হওয়ার। আমাদের দেশে এ যন্ত্রের সহজলভ্যতা জরুরি।

কিশোরীদের ভেন্টিলেটর তৈরিতে অর্থ সহায়তা দিচ্ছে আফগানিস্তানের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক যন্ত্র তৈরির কাজ করছে তারা। যন্ত্রটি সফলভাবে তৈরি করতে পারলে এবং সরকারের অনুমোদন পেলে ৩০০ ডলারে বিক্রি করা যাবে।

এর আগে ২০১৭ সালে এ কিশোরীরা ওয়াশিংটনে একটি রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদন করলেও ‍তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। পরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে তারা যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিল।