নারায়ণগঞ্জ থেকেই করোনা ছড়িয়েছে ১৯ জেলায়



দেশের ৫৭ জেলায় করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ছড়িয়েছে। এরমধ্যে ১৯টি জেলা সংক্রমিত হয়েছে নারায়ণগঞ্জ থেকে যাওয়া লোকজনের মাধ্যমে। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জে সংক্রমণ হয়েছে ইতালি ফেরত প্রবাসীর মাধ্যমে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নির্ণয় ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসন ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়াও ঢাকা ও গাজীপুর থেকে যাওয়া করোনা রোগীর মাধ্যমে কয়েকটি জেলা সংক্রমিত হয়েছে।

নারাযণগঞ্জ থেকে যে ১৯ জেলায় করোনা ছড়িয়েছে; টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, চাঁদপুর, পিরোজপুর, ফরিদপুর, পাবনা, নরসিংদী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বান্দরবান, রংপুর, ঠাকুরগাও, নড়াইল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, নওগাঁও, রাজশাহী ও জয়পুরহাট।

আইইডিসিআরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগের ঢাকায় আক্রান্ত এক হাজার ২২৯ জন। আর ঢাকা জেলায় ৪৮, গাজীপুরে ২৬৯, কিশোরগঞ্জে ১৪৬, মাদারীপুরে ২৬, মানিকগঞ্জে ৯, নারায়ণগঞ্জে ৪৬৯, মুন্সীগঞ্জে ৫৪, নরসিংদীতে ১৩৬, রাজবাড়ীতে ১০, টাঙ্গাইলে ১৩, শরীয়তপুরে ৮ ও গোপালগঞ্জে ৩০ জন।

চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৪১, কক্সবাজারে ৫, কুমিল্লায় ২৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১১, লক্ষ্মীপুরে ২৫, বান্দরবানে একজন, নোয়াখালীতে ৪, ফেনীতে ৩ জন ও চাঁদপুরে ১০ জন।

রংপুর বিভাগের মধ্যে রংপুরে ৭, গাইবান্ধায় ১৩, নীলফামারীতে ৯, লালমনিরহাটে ২, কুড়িগ্রামে ৩, দিনাজপুরে ১১, পঞ্চগড়ে ১ ও ঠাকুরগাঁওয়ে ৬ জন।

রাজশাহী বিভাগের মধ্যে জয়পুরহাটে ৩, পাবনায় ৩, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১, বগুড়ায় ২, নওগাঁয় ১, সিরাজগঞ্জে ২ এবং রাজশাহীতে ৯ জন।

সিলেট বিভাগের মধ্যে সিলেট জেলায় ৪, মৌলভীবাজারে ২, সুনামগঞ্জে ১ ও হবিগঞ্জে ১১ জন। খুলনা বিভাগের মধ্যে খুলনা জেলায় ৩, যশোর ৪, বাগেরহাটে ১, নড়াইলে ৫ এবং চুয়াডাঙ্গায় ২, মাগুরা ও মেহেরপুরে একজন করে এবং কুষ্টিয়ায় দুজন।

বরিশাল বিভাগের মধ্যে বরগুনায় ১৭, বরিশালে ৩২, পটুয়াখালীতে ৭, পিরোজপুরে ৫ ও ঝালকাঠিতে ৪ জন।

ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৪০, জামালপুরে ২২, নেত্রকোনায় ১৮ ও শেরপুরে ১৮ জন।

আইইডিসিআরের তথ্যানুযায়ী, ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সব মিলিয়ে দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা তিন হাজার ৭৭২ জন। মারা গেছেন ১২০ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৯২ জন।