১ জন করোনা রোগীর কারণে আক্রান্ত হবেন ৪০৬ জন



মহামারি করোনা ভাইরাসে কার্যত স্থবির হয়ে গেছে পুরো বিশ্ব। এই করোনা ভাইরাস নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করছেন বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে ভারতের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন ৭০ শতাংশ করোনা (Coronavirus) আক্রান্তর মধ্যেই করোনা সংক্রমণের সামান্য অথবা অতি সামান্য লক্ষণ দেখা যায়।

সেক্ষেত্রে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। মঙ্গলবার( ৪ এপ্রিল) ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল জানিয়েছেন, আইসিএমআর-এর সাম্প্রতিক সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে কোনও ব্যক্তি যদি লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম না মানেন তবে তিনি ৩০ দিনে ৪০৬ জনের শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে দিতে পারেন।

আর এক সপ্তাহ পরেই ভারতে লকডাউন উঠে যাওয়ার কথা। তবে যেভাবে ভারতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ছে তা দেখে বহু রাজ্য এরই মধ্যে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে।

এদিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, লকডাউন বা কোয়ারান্টাইনের নিয়ম কেউ না মানলে তাঁর দু’বছরের জেল হতে পারে।

উত্তরাঞ্চল থেকে সহস্রাধিক শ্রমিক গেলেন চলন বিলে

বোরো ধান কাটতে কৃষি বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উত্তরাঞ্চল থেকে সহস্রাধিক শ্রমিক পাঠানো হয়েছে চলন বিল ও হাওরাঞ্চলে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সামাজিক দূরত্ব মেনেই তাদের পাঠানোর কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গাইবান্ধা
উত্তরের জেলা গাইবান্ধা থেকে মঙ্গলবার সকালে ৬০ জন শ্রমিককে পাঠানো হয় সুনামগঞ্জে। নিরাপদ দূরত্বের বিধি মেনে ৩টি বাসে পাঠানো হয় তাদের। গত কয়েকদিনে গাইবান্ধা থেকে আরও ৫৩ জনকে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই উদ্যোগে উত্তরের শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি হাওরাঞ্চলে শ্রমিক সংকট কাটবে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ ও জেলা প্রশাসন।

রাজশাহী
এদিকে রাজশাহীর চারঘাট ও বাঘা উপজেলা থেকে বোরো ধান কাটতে পঞ্চাশটি দলে প্রায় এগারো শ’ শ্রমিক গেছে নাটোর, সিরাজগঞ্জের চলন বিল এবং হাওরাঞ্চলে। ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়নপত্র ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রাথমিক পরীক্ষা শেষেই তাদের পাঠানো হয়। প্রশাসনের তরফ থেকে শ্রমিকদের যাতায়াত খরচও দেয়া হয়।