করোনায় ফর্সা থেকে কুচকুচে কালো হয়ে গেলেন দুই চিকিৎসক



চীনের দু’জন চিকিৎসক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তাদের স্বাভাবিক ত্বক হারিয়েছেন। আক্রান্ত হওয়ার আগে তাদের চেহারা উজ্জ্বল বর্ণের থাকলেও বর্তমানে গাড় কালচে বর্ণ ধারণ করেছে।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে অস্বাভাবিক এ পরিবর্তন বলে জানানো হয়। বলা হয়, কোভিড নাইনটিনে আক্রান্ত হয়ে তাদের লিভার অকেজো হয়ে গেছে। ৪২ বছর বয়সী ডাক্তার ই ফান এবং ডাক্তার হু ওয়েফিং জানুয়ারিতে উহান সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার সময় আক্রান্ত হন। তারা ডাক্তার লি ওয়েনলিংয়ের সহকর্মী। করোনা ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম মুখ খোলায় যাকে শাস্তি দেয়া হয়েছিল।

 

৭ জানুয়ারি তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ১৮ জানুয়ারি ডাক্তার ই ফান এবং ডাক্তার হু ওয়েফিংয়ের করোনা পরীক্ষা করা হয়। বর্তমানে তাদের শারীরকি পরিস্থিতির উন্নতি ঘটছে বলেও জানানো হয়।

কিমের অসুস্থতা অস্বীকার উত্তর কোরিয়ার
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন ‘গুরুতর অসুস্থ’ বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন যে তথ্য দিয়েছে তা সত্য নয় বলে দাবি দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের।

 

মঙ্গলবার মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিএনএন ওই প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, সম্প্রতি কিমের অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং এরপর থেকেই তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, ৩৬ বছর বয়সী কিম ‘গুরুতর অসুস্থ’ উত্তরের দিক থেকে এমন সুনির্দিষ্ট কোনো ইঙ্গিতই পাওয়া যায়নি।

উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতার শারীরিক অবস্থা নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন সত্য নয়, চীনা গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন সূত্রও একই দাবি করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

 

বিবিসি বলছে, কিমের অনুপস্থিতিতে জল্পনা-কল্পনা এবারই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে টানা ৪০ দিন তার দেখা না পাওয়ায় কিমকে উৎখাত করা হয়েছে বলে গুঞ্জন উঠলেও পরে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়।

তবে কিমের কিছু হলে তার বোন কিম ইয়ো-জং দায়িত্ব নিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার সাবেক শাসক কিম জং ইলের এ মেয়েকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সফর ও সম্মেলনে ভাইয়ের পাশে নিয়মিতই দেখা যায়।