Breaking News

অবশেষে করোনামুক্ত হলেন নায়ক কাজী মারুফের স্ত্রী

হঠাৎ করে গত (২৮ মার্চ) রাতে খবর রটে নিউইয়র্কে থাকা বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক কাজী মারুফ ও তার স্ত্রী রাইসা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এরপর জানা গেছে মারুফ না তার স্ত্রী রাইসা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এমন দুঃসংবাদ শুনে ব্যথিত হয়েছিলেন সিনেমাপ্রেমীরা।অবশেষে জানা গেছে মহামারী করোনামুক্ত হয়েছেন নায়কের স্ত্রী রাইসা।

বর্তমানে মারুফ তার স্ত্রী রাইসাকে নিয়ে নিউইয়র্কের বাসায় অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত করেছেন কাজী মারুফের বাবা চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা কাজী হায়াৎ।

 

 

এ প্রসঙ্গে কাজী হায়াৎ বলেন, ‘আমার ছেলে মারুফের স্ত্রী করোনামুক্ত হয়েছে। মারুফ তার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নিরাপদে আছে। আমার ছেলে ও তার স্ত্রীর জন্য সবাই দোয়া করবেন। তারা যেন ভালোভাবে দেশে ফিরে আসতে পারে। লকডাউন শেষ হলেই দেশে ফিরে আসবে মারুফ।

খেটে খাওয়া মানুষের পাশে রাজ রীপা
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। আক্রান্তের সংখ্যা দিনকে দিন বেড়েই চলছে। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষ এখন গৃহবন্দী। এই সঙ্কট চলছে আমাদের দেশেও। সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া গরীব মানুষজন। তাদের আয়ের পথও বন্ধ বলা চলে।

এমন পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন নবাগত নায়িকা রাজ রীপা।

এ প্রসঙ্গে রাজ রীপা বলেন, ‘সাধ্য অনুযায়ী কিছু কর্মজীবী মানুষদের সহায়তা করছি। তাদের জন্য কয়েকদিনের খাবার ও প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিতরণ করেছি। আমার মতো আরও যারা আছেন কিংবা সমাজের বিত্তবানরা যদি এভাবে এগিয়ে আসেন তাহলে এই মানুষগুলো হয়তো একটু ভালো থাকবেন।

 

 

রাজ রীপা আরও বলেন,যদি পারেন অভাবী মানুষের মুখের ছবি তুলে অন্তত ফেসবুকে আপলোড দিয়ে তাদের লজ্জা দেবেন না। কারণ বিপদে পরে আজ তারা অভাবী,ওরা কিন্তু ফকির না কর্মঠ মানুষ,আর তাই আমাদেরকেই সচেতন হতে হবে।

এদিকে,সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাই ঘরে থাকুন, সতর্ক থাকুন। নববর্ষের আনন্দ মাটি হলেও কিছু যায় আসে না। কিন্তু জীবনহানি ঘটলে তা আর কখনোই পাওয়া যাবে না।রাজরীপার সিনেমায় অভিষেক ঘটে রায়হান রাফি পরিচালিত ‘দহন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর একাধিক সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য,দেশে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০১২ জন। এরমধ্যে মারা গেছেন ৪৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪২ জন।