জঙ্গলে ফেলে যাওয়া সেই নারীর করোনা সনাক্ত হয়নি-সন্তান বলো ইয়া নাফসি



গভীর রাতে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ইছাদিঘী গ্রামের এক জঙ্গলে ঐ নারী কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয়রা ইউপি চেয়ারম্যানকে অবহিত করলে চেয়ারম্যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সখিপুর উপজেলা কমপ্লেক্স এবং পরে ঢাকা আইডিসিআর এ করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

জানা যায়, করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে সন্দেহে তাকে তার স্বামী ও সন্তানেরা সখিপুর জঙ্গলে ফেলে রেখে চলে যান। তার বাড়ি শেরপুর জেলার নালিতা বাড়িতে। স্বামী-সন্তান গাজীপুরের সালনায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন। পরে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমাউল হুসনা লিজা ওই মহিলাকে রাতেই ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহীনুর আলম বলেন, ওই নারীর শরীরে জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও গলা ব্যথা ছিল। মঙ্গলবার সকালে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন বিভাগে ভর্তি করা হয়। বুধবার (১৫ এপ্রিল) পরীক্ষা শেষে তার মধ্যে করোনা ভাইরাসের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিস্টার ডা. মুক্তাদির ভূঁইয়া মুঠোফোনে জানান, ওই নারীর করোনা রিপোর্ট নেভেটিভ এসেছে তবে বিষয়টি আরো নিশ্চিত হতে দুই তিন দিনের মধ্যে পুনরায় তার নমুনা পরীক্ষা করা হবে। ওই নারীর মধ্যে করোনা ভাইরাসের গুরুত্বপূর্ণ কোনো লক্ষণ নেই। তবে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তার শারীরিক সমস্যা খুব একটা গুরুতর মনে হচ্ছে না।