কুকুর দূরত্ব মেনে ঘুমিয়ে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভাইরাল হয়েছে



কুকুর মানছে – হবিগঞ্জ শহরের রাজনগর এলাকায় একটি বাসার সামনে ৬ টি বেওয়ারিশ কুকুর সামাজিক দূরত্ব মেনে ঘুমিয়ে থাকার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। শনিবার বিকালে ছবিটি তোলেন ওই এলাকার ব্যবসায়ী কবির আহমেদ।

কবির আহমেদ জানান, তার বাসার পাশেই একটি বাসার সামনে ৬ টি কুকুর সারিবদ্ধভাবে নির্দিষ্ট দূরত্ব রেখে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেন। সাধারণত দিনের বেলা কুকুরগুলো ঘুমে থাকে এবং রাতে চলাচল করে। দৃশ্যটি ভাল লাগায় মোবাইল ফোনে তা ধারণ করি। পরে সেটি ফেসবুকে শেয়ার করলে তা ভাইরাল হয়। আমার পরিচিত কয়েকজন বন্ধু ও সাংবাদিক সেটি শেয়ার করলে বিভিন্ন জন বিভিন্ন মন্তব্য করেন। আমরা মানুষ হয়েও করোনার কারনে সামাজিক দূরত্ব মানছি না। জীবজন্তু কোন কিছু না জানার পরও তারা দূরত্ব মানছে। বিষয়টি সবাইকে নাড়া দেয় বলেও জানান তিনি।

করোনার চিকিৎসায় কি কি ওষুধ ব্যবহার হচ্ছে?

মহামারী করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় কাজে আসবে, এমন ওষুধ নিয়ে কাজ করেছে বিশ্বের অনেক ছোট-বড় কোম্পানি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধের স্বীকৃতি না দিলেও পরীক্ষামূলক অনেক ওষুধ ব্যবহারে পাওয়া যাচ্ছে সফলতা।

বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় কিছু পরীক্ষামূলক ওষুধের ব্যবহার শুরু হয়েছে। কিছু বেসরকারি ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান সেসব ওষুধ তৈরি করতে শুরু করেছে। তবে সবগুলো ওষুধ এখনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়নি।

মূলত হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ও ফ্যাভিপিরাভির – এই দুইটি ওষুধ নিয়ে বিজ্ঞানীরা আশার বানী শোনাচ্ছেন।

ইনফ্লুয়েঞ্জার চিকিৎসায় জাপানি কোম্পানি ফুজির অঙ্গ প্রতিষ্ঠান তোয়ামা কেমিক্যাল তৈরি করেছিল। এই ওষুধটির ব্র্যান্ড নাম ‘অ্যাভিগান’। এই ওষুধটির কার্যকারিতা নিয়ে নানা পরীক্ষা হচ্ছে।

পশ্চিমা কয়েকটি দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করেও সফলতা পাচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ওষুধের কথা বারবার উল্লেখ করায় এটি নিয়ে আলোচনাও বেশি। যদিও করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় এর কার্যকারিতা নিয়ে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নন তার প্রশাসনের কর্মকর্তারাই।

কয়েকটি দেশে ক্লোরোকুইন ব্যবহার করছেন চিকিৎসকরা। এটি মূলত ম্যালেরিয়ার ওষুধ হলেও করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রে কিছুটা উপকার আনতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারক গিলিয়াডের তৈরি রেমডিসিভির ওষুধ নিয়েও চলছে পরীক্ষামূলক ব্যবহার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনো কোনো ওষুধের ব্যাপারেই পুরোপুরি আস্থা ঘোষণা করেনি।