Breaking News

স্বামী পর স্ত্রী মৃত্যু, অসহায় এতিম যমজ শিশু



গুরুতর আহত স্ত্রী ছয়দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন। এতে এতিম হয়ে গেল এ দম্পতির দেড় বছরের যমজ শিশু। বাবার পর মায়ের মৃত্যুতে জমজ শিশুরা এখন অসহায়। তাদের অসহায় চাহনি অনেককে আপ্লুত করছে।সুস্থভাবে বাঁচতে হাসপাতালে স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে নিয়ে যান স্বামী নোমান মিয়া। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান নোমান।

গত শুক্রবার অসুস্থ স্ত্রী জেসমিনকে হাসপাতালে নিয়ে যান শায়েস্তাগঞ্জের নূরপুর ইউপির চাঁনপুর গ্রামের আবদুল মতলিবের ছেলে নোমান। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ নূরপুর এলাকায় তাদের বহনকারী অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয় বাস। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন নোমান। ওই সময় স্ত্রীসহ আরো তিনজন আহত হন। এর মধ্যে জেসমিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা ছয়দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে মারা যান জেসমিন।

নূরপুর ইউপির চেয়ারম্যান মো. মুখলিছ মিয়া জানান, নোমানের পর তার স্ত্রী জেসমিনও মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার রাত ১০ টায় তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

এদিকে, নিহত দম্পতির বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় হৃদয়বিদারক দৃশ্য। নোমান-জেসমিন দম্পতির যমজ মেয়ে রয়েছে। তাদের বয়স দেড় বছর। শিশুরা বাবা-মাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। সব সময় অসহায় দৃষ্টিতে মানুষের দিকে তাকিয়ে থাকে তারা। এ দৃশ্য দেখে অনেকে আপ্লুত হয়ে পড়ছেন। আর স্বজনরা তাদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। দুই শিশু এখন দাদা-দাদির জিম্মায় রয়েছে।