মৃত ৬ জনের তিন জনই ঢাকার



করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে যে ৬ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৩ জনই ঢাকার বাসিন্দা। এছাড়া দুজন নারায়ণগঞ্জের ও একজন পটুয়াখালীর বাসিন্দা। এদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ এবং একজন নারী।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানান সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪২৪ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ৬ জন। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ জনে। এবার যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ২ জনের বয়স ৩০-৪০ বছরের, ৫০-৬০ বছরের ২ জন। সত্তর প্লাস একজন এবং ৯০ বছরের বেশি একজন।

এরআগে গতকাল বৃহস্পতিবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১২ জন। দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। এরপর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা এখন প্রায় ৯৬ হাজার। শুক্রবার এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ সংখ্যা এখন ৯৫ হাজার ৭২২ জন। আর আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১৬ লাখ ৩ হাজার ৭১৯ জন।

প্রাণহানিতে শীর্ষে অবস্থান করছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে ১৮ হাজার ২৭৯ জন নিয়ে প্রাণহানিতে এখনো শীর্ষে রয়েছে ইতালি। এ ছাড়া স্পেনে ১৫ হাজার ৪৪৭, ফ্রান্সে ১২ হাজার ২১০, যুক্তরাজ্যে ৭ হাজার ৯৯৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ প্রাণহানী হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ১ হাজার ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ফ্রান্সে ১ হাজার ৩৪১ জন এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। দেশটি এখন করোনার সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে আমেরিকা ও ইউরোপে এটা ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্যমতে, শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে—চার লাখ ৫৫ হাজার ৪৫৪। এর পরে আছে স্পেন—এক লাখ ৫২ হাজার ৪৪৬।