Breaking News

প্রিয়জনকে হারালেন সালমান



বলিউড অভিনেতা সালমান খানের ভাইপো আবদুল্লাহ খান মারা গেছেন।

সোমবার গভীর রাতে মুম্বাইয়ের বান্দ্রার লীলাবতী হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। তার বয়স হয়েছিল ৩৮ বছর।

সম্প্রতি ফুসফুসে সংক্রমণ ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে মুম্বাইয়ের ধিরুবাই কোকিলাবেন আম্বানি হাসপাতালে ভর্তি হন আবদুল্লাহ।
পরে খবর পেয়ে ভাইপোকে লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশ দেন। এর পর সেখানেই মৃত্যু হয় আবদুল্লাহর।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন আবদুল্লাহ। প্রথমে রটে যায় করোনার জেরেই মৃত্যু হয়েছে তার।

তবে ভাইজানের পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই ফুসফুসের সমস্যা ছিল তার। ছিল ডায়াবেটিসও। হার্টেরও নানা সমস্যা ছিল। গত কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন আবদুল্লাহ। অবশেষে মৃত্যু হয় তার।
ভাইপোর মৃত্যুতে শোকাহত সালমানও। ইনস্টাগ্রামে আবদুল্লাহ এবং তার একটি পুরনো ছবি শেয়ার করে সালমান লেখেন, ‘সবসময় তোমাকে ভালোবেসে যাব।’

বডি বিল্ডিংয়ের শখ ছিল আবদুল্লাহর। সালমানের ‘বিইয়িং হিউম্যান’ সংস্থার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

এ বছর নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ : প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে দেশের ৬৪ জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা নববর্ষ আমরা সবসময় উৎসবের সঙ্গে উদযাপন করে থাকি। কিন্তু এবার যেহেতু আমরা সব অনুষ্ঠান বাদ দিয়েছি। লোক সমাগম হয় এমন অনুষ্ঠান করা থেকে বিরত রয়েছি। তাই নববর্ষের অনুষ্ঠানও বন্ধ রাখতে হবে। তিনি বলেন, এখন যেহেতু ডিজিটাল যুগ। ছোট ছোট অনুষ্ঠানও ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা যেতে পারে। কিন্তু বিশাল লোকসমাগম করে সারা বাংলাদেশে যেভাবে নববর্ষের অনুষ্ঠান করা হয়, সেটি বন্ধ রাখতে হবে। এটি আমার বিশেষ অনুরোধ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা বলতে আমারই কষ্ট লাগছে। কেননা নববর্ষের অনুষ্ঠান আমরাই বৃহৎ পরিসরে শুরু করেছিলাম নানা বাধা অতিক্রম করে। কিন্তু আজকে সেটিও আমাকে বন্ধ রাখতে হচ্ছে মানুষের কল্যাণের দিকে তাকিয়েই। তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী রীতিতে নববর্ষ উৎযাপন বন্ধ থাকলেও ডিজিটাল পদ্ধতিতে গানবাজনা-উৎসব সবাই করতে পারেন। যেমন আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে এখন স্কুলের ক্লাসগুলো করতে শুরু করেছি। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত এই ক্লাস আমরা পর্যাক্রমিকভাবে করছি যেন ছেলেমেয়েরা ঘরে বসে লেখাপড়া ভুলে না যায়।